এইখানে
কোকিল ডাকছে, কচুরি পানার ফাঁকে ফাঁকে বালি হাঁস
মারছে উঁকি । ডাহুক রয়েছে দুটো, জলের ভেতরে ভেতরে মাছ, অসংখ্য বলা চলে না হয়ত
জীবনের মান… তবে যথেষ্ট এখানে মাংস, আপাতত শিকারি নেই কোনও । খুনি আছে, আর আছি আমি,
খুনি ও শিকারির ফারাক খোঁজার মানেই জীবন – এই সুত্র প্রতিষ্ঠায় আপাতত সীমাহীন মগ্ন
।
এই
ঘাটে কলসি কাঁখে নারীরা আসেনা, আমি আসি, আমার কাঁখে কলসি নেই । এখানে মাটির নিচে পাতিলের
মাঝে বসে আছে এক শিশু । কোনও কবি তাকে নিয়ে
লেখেনি প্রেমের কবিতা, মধুসূদনের আদলে নবীন পুরুষ অথবা নারী লেখেনি প্রেমের চতুর্দশপদী
। হাড়ের বয়স এখন চোদ্দ, এর চেয়ে অধিক রূপ তার কখনো হবেনা, তাই চায় এই বসন্তেই দুয়েক
টুকরি মাটি তার রূপে মুগ্ধ হোক । অন্তত দুটো কোকিল
এইখানে
অনেক মাংস, গোটা পঞ্চাশেক সুঠামদেহী নারী ও পুরুষ গঠন হতে পারে অনায়াসে এত মাংসে ।
রুই-কাতলা, হাঁস –মুরোগ, কুকিল ও ডাহুকের মন নিয়ে হতে পারে গোটা পঞ্চাশেক মানুষ । বসন্তের
রঙে নক্ষত্রের আলোয় মানব-মানবীরাও গান করতে পারে কোকিল ও ডাহুকের মতন ।
আমি
ওদের জন্যে করে দেব সব গান বাংলায় ভাষান্তর । ধরে বেঁধে দুয়েকটা নারী ও পুরুষকে শেখাবোই
কবিতা লেখা । শেখাবো চতুর্দশবর্ষীয়া নারীর
রূপে মুগ্ধ হওয়া ।
আমার
কোনও প্রেমিক অথবা প্রেমিকা জুটুক অথবা না, হয়েই উঠবো বসন্তের প্রেমিক আরও একদল নর
ও নারীর ।
No comments:
Post a Comment